1. ajohirrayhan@gmail.com : Fozlu :
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুমিল্লার পূজা মন্ডপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজারের রাজনগরে পিটিয়ে একজনকে আহত। মৌলভীবাজারে তালামীযে ইসলামীয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মুবারক র‌্যালি অনুষ্ঠিত। একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি – গাড়ির কাগজ হারানো গিয়েছে। সুলতানপুর মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট সিজন ৪ এ চ্যাম্পিয়ন মান্না ফাইটার্স রানার্সআপ ইউসুফ থান্ডার্স মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের আয়োজনে পালিত হলো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত মাদকদ্রব‌্য নিয়ন্ত্রণ অ‌ধিদপ্তর মৌলভীবাজার এর  অভিযানে গাঁজা সহ নারী আটক। মৌলভীবাজারে একাধিক মাদক মামলার আসামী জনি ফকির ৩৫ পিছ ইয়াবা সহ গ্রেফতার শেরপুর হাইওয়ে থানার উদ্যোগে গাড়ি চালক ও হেলপারদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্টিত মৌলভীবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত।

বিধিনিষেধ অমান্য করে বিয়ের আয়োজন: পুলিশ আসতেই পালালেন বর,কনে,অথিতি সব।

Reporter Name
  • সময়ঃ মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ২৫৬ ভিউ

অনলাইন ডেস্কঃ সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রীতিমতো কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। চার থেকে পাঁচশ অতিথির উপস্থিতিতে রীতিমতো সাজসাজ রব। কেউ খাচ্ছেন, কেউ বা আবার উপহার বুঝিয়ে দিয়ে পান চিবুতে চিবুতে খোশগল্পে মাতছেন। থেমে নেই আয়াসুয়োর দলও। শাড়ি লেহেঙ্গার ঝকমারি সাজে বিয়ে আনন্দে উদ্বেল তারা।
এতসব আনন্দ উচ্ছ্বাসের মধ্যে সবাই হয়তো ভুলেই গিয়েছিলেন যে, দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় এসব অনুষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ঘটনাস্থল চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলাধীন নোয়াপাড়া এলাকার কর্ণফুলী কনভেনশন হল।
সোমবার (২৮ জুন) দুপুর থেকেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল সেখানে। বেলা বাড়তে অতিথি সমাগম বাড়ার সাথে সাথে ঘনিয়ে আসে বিয়ের ক্ষণও।

একটার দিকে স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার-এএসপি (রাউজান রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম। বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলের সামনে পুলিশের গাড়ি দাঁড়াতেই হুলুস্থূল পড়ে যায়।পুলিশ দেখে এদিক ওদিক ছোটাছুটি শুরু করে দেয় সবাই। পগারপার কমিউনিটি সেন্টার কর্ণফুলী কনভেনশন হল’র ব্যবস্থাপক এবং আয়োজক ছেলে-মেয়ের মা-বাবাও।  প্লেট, খাবার-দাবার, উপহার সব ফেলে দৌড়ে পালাতে শুরু করে অতিথিরা। বাদ যাননি বর রফিকুল ইসলাম এবং কনে শাহনাজ বেগমও। সুযোগ বুঝে সন্তর্পণে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন  তারা। উৎসবে গমগম করা একটি বিয়েবাড়ি মুহূর্তে ভুতুড়ে বাড়িতে রূপ নেয়।
পরবর্তীতে ঘন্টা দুয়েক এদিক ওদিক খোঁজখবর করে ব্যবস্থাপক জামাল উদ্দিন বাদশা এবং পাত্রীর বাবা মো. জামাল উদ্দিনের হদিস মেলে। পরে তারা দুইজন এএসপির নিকট এই মর্মে মুচলেকা দেন যে, তারা সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আর কখনো এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন না।

এ বিষয়ে এএসপি মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, ‘আনুমানিক চার থেকে পাঁচশ অতিথির উপস্থিতিতে সেখানে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। কিন্তু আমাদেরকে দেখেই তারা যে যার মতো করে অনুষ্ঠানস্থল হতে চলে যান। তাৎক্ষণিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়ে কমিউনিটি সেন্টার কর্তৃপক্ষ এবং আয়োজকদেরকে প্রথমবারের মতো সতর্ক করা হয়েছে।

এই পোস্টটি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ দেখুন
এই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেছেন Johir Rayhan
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )